প্রথমত, তেলের দাম আকাশছোঁয়া হতে পারে। ইরান বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল রপ্তানিকারক দেশ। যুদ্ধের কারণে সরবরাহ ব্যাহত হলে বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি অবশ্যম্ভাবী। যার সরাসরি প্রভাব পড়বে ভারত, চীন, ইউরোপ ও আমেরিকার অর্থনীতিতে।
দ্বিতীয়ত, মানবিক বিপর্যয়। যুদ্ধ মানেই প্রাণহানি, শরণার্থী সঙ্কট ও মানবাধিকার লঙ্ঘন। এই অঞ্চলের মানুষজন চরম দুর্ভোগের শিকার হবেন এবং আশ্রয়ের খোঁজে পাশ্ববর্তী দেশগুলোতে ঠাঁই নিতে বাধ্য হবেন।
তৃতীয়ত, আন্তর্জাতিক মেরুকরণ। যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র, অপরদিকে ইরানকে সমর্থন করে রাশিয়া ও চীন। ফলে এই যুদ্ধ বড় শক্তিগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে, যা একটি বিশ্বব্যাপী সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
সবশেষে, এই যুদ্ধের ফলে বিশ্বব্যাপী নিরাপত্তা ও শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। সাইবার হামলা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক দমননীতির ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে উঠবে।
উপসংহার:
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের সম্ভাব্য প্রভাব গভীর ও বহুমাত্রিক। তাই বিশ্ব সম্প্রদায়ের উচিত কূটনৈতিকভাবে এই উত্তেজনা প্রশমনের পথে এগিয়ে যাওয়া।
Article Photo:AI