আহমেদাবাদ, ১২ জুন ২০২৫:
আজ দুপুর ১:৩৮-এ (IST) আহমেদাবাদে ভল্লাভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বিমান এয়ার ইন্ডিয়া ফ্লাইট AI 171, একটি বোয়িং ৭৮৭–৮ ড্রিমলাইনার, মেঘানিনগর এলাকার বি. জে. মেডিক্যাল কলেজ ও সিভিল হাসপাতালের হোস্টেল স্থাপনায় বিধ্বস্ত হয় ।
বিমানটিতে ছিলেন ২৪২ জন (১২ ক্রু, ২৩০ যাত্রী)।
ঘটনায় মারা গেছেন ২৪১ জন, বেঁচে গেছেন মাত্র একজন যাত্রী — ব্রিটিশ নাগরিক ভিষ্বাসকুমার রমেশ ।
ভাঙচুরের আওতায় পড়েছে হোস্টেল ও আশপাশের আবাসিক এলাকা; মাটি উপরে অন্তত ২৮ জনসহ সর্বমোট মৃতের সংখ্যা প্রায় ২৬৯ ।
🕵️♂️ তদন্ত ও সম্ভাব্য কারণ
উদ্ধার অভিযান শুরু হয়, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল (NDRF), ভারতীয় বিমানবাহিনী (IAF), BSF, NSG ও স্থানীয় দমকল ও পুলিশ বাহিনী কাজ করে।
ডার্ক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে; ভারতীয় বিমানদূর্ঘটনা তদন্ত বোর্ড, যুক্তরাষ্ট্রের NTSB, FAA ও Boeing অংশগ্রহণ করছে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে যান্ত্রিক বিকলতা — মায়ডে-কল পাওয়ার মুহূর্তে এবং বিমান নির্দিষ্ট উচ্চতায় উঠার আগেই পতন ঘটেছে ।
🏛️ শোক ও প্রতিক্রিয়া
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, দেশে ও বিদেশে শোক প্রকাশে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পরে ।
প্রয়াতদের মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন গুজরাটীর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি, যিনি লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন ।
Boeing এই দুর্ঘটনার তদন্তে সহায়তা প্রদান করছে।
✅ ভবিষ্যতে নিরাপত্তা নিশ্চিতের সম্ভাব্য ব্যবস্থা
জরুরি ভিত্তিতে বোয়িং ৭৮৭–৮ এবং একই ধরনের বিমানের সমগ্র ফ্লিটের ত্বরিত নিরীক্ষা ।
প্রতিটি ফ্লাইটের আগে বৈমানিক রক্ষণাবেক্ষণ বিধির কঠোর বাস্তবায়ন ও পাইলটদের চালনার সিমুলেশন দ্বারাও যাচাইকরণ।
আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ও উড়ান অনুমোদন ব্যবস্থায় আরও কড়াকড়ি।
DGCA‑এর তদারকি ও লাইসেন্সের পুনর্মূল্যায়ন, পাশাপাশি বেসরকারি ফ্লাইট স্কুল ও বিমান চালকদের নিয়মিত অডিট।
সংক্ষিপ্ত করেই বলা যায়, এই দুর্ঘটনা ভারতের বেসামরিক বিমান খাতকে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজনৈতিক আলোচনার অন্তর্ভুক্ত করেছে — ভবিষ্যতে বিমান নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যর্থ হলে তার ভয়াবহ প্রভাব প্রতিরোধে এই ঘটনাকে একটি প্রতিবর্তী পাথেয় হিসেবে বিবেচনা করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
By:AI
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন